Thursday, March 26, 2020

মহামারিতে আজান দেওয়া

মহামারিতে আযান দেয়ার শরয়ী বিধান ও গুরুত্ব:

আযান ইসলামের এক মৌলিক ইবাদত নামাজের দিকে আহবানের মাধ্যম। আযানের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়,বিপদ ও আযাব দূরীভূত হয়।
হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা:)থেকে বর্ণিত হাদীসে হুযুর (ﷺ) এরশাদ করেন,

"اِذَا اُذِّنَ فِیْ قَرِیَةٍ اٰمَنَھَا اللہُ مِنْ عَذَابِهٖ فِیْ ذٰلِكَ الْیَوْمِ"

-যখন কোন গ্রামে আযান দেয়া হয়,তখন মহান আল্লাহ (ﷻ) সেদিন ওই গ্রামকে তার আযাব থেকে নিরাপদে রাখেন।
[আল-মু'জামুল কবীর,খ-১,পৃ-২৫৭,হাদিস:৭৪৬,মুদ্রণ:মাকতাবায়ে ফয়সলীয়া,বৈরুত। ফতোয়ায়ে রযভীয়্যা, খন্ড:৫,পৃ-৩৬৯,রেযা ফাউন্ডেশন, লাহোর]

 মহামারীর সময় আযান দেয়া একটি মুস্তাহাব বিষয়।
ফিকহে হানাফীর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ রদ্দুল মুখতার বা ফতোয়ায়ে শামীতে আযানদানের ১০টি মুস্তাহাব সময়ের মধ্যে মহামারীর সময় আযানের কথা উল্লেখ রয়েছে।
 মুজাদ্দিদে দীনো মিল্লাত,ইমামে আহলে সুন্নাত,শাহ ইমাম আহমদ রেজা খান (রা.)লিখেন-

”وبا کے زمانے میں اذان دینا مستحب ہے“

- মহামারীর সময় আযান দেয়া মুস্তাহাব।

[ফতোয়ায়ে রযভীয়্যা,খ-৫,পৃ-৩৭০,মুদ্রণ-রেযা ফাউন্ডেশন লাহোর। বাহারে শরীয়ত,প্রথম খন্ড, অংশ-৩,পৃ-৪৬৬,মাকতাবাতুল মদীনা করাচী]

কারণ এ মহামারীর কারণে জনমনে ভয় ও অাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে,যার ফলে জনগণ উদ্বিগ্ন থাকে, ভীতি ও ত্রাসের শিকার হয়,এমন পরিস্থিতিতেও আযান আত্নার প্রশান্তি ও ভয়-ত্রাস দূর করার মাধ্যম।

আবু নাঈম ও ইবনে আসাকির হযরত আবু হুরায়রা (রা.)থেকে বর্ণণা করেন,হুযুর ( ﷺ) ইরশাদ করেন,

نَزَلَ آدَمُ بِالْھِندِ فَاسْتَوْحَشَ فَنَزَلَ جِبْرَئِیْلُ عَلَیْه الصَّلَاۃُ وَالسَّلَام فَنَادیٰ بِالْاَذَاَنِ.

-যখন হযরত আদম (আ.)জান্নাত থেকে ভারতবর্ষে অবতরণ করলেন,ভীত-সন্ত্রস্থ হলেন,তখন জিবরাইল (আ.)নেমে (ভয় দূর করার জন্য) আযান দিলেন।

[হিলয়াতুল আউলিয়া,খ-২,পৃ-১০৭,হাদিস:২৯৯,মুদ্রণ-দারুল কিতাব আল-আরাবিয়্যা,বৈরুত]

মুসনাদুল ফিরদৌস-এ আমীরুল মু'মিনীন,সৈয়্যদুনা আলী আল-মুরতাদ্বা (রা.)থেকে বর্ণিত,

قَالَ رَایٰ النَّبِیُّ صَلّٰی اللہُ تَعَالٰی عَلَیْهِ وَسَلَّم حُزِیْناً فَقَالَ یَا ابْنَ اَبِیْ طَالِبٍ اِنِّیْ اَرَاكَ حُزِیْناً فَمُرْ بَعْضَ اَھْلِكَ یُؤَذِّنُ فِیْ اُذُنِكَ فَاِنَّهٗ دَرْءُ الْھَّمِ

-তিনি বলেন,হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন আমাকে চিন্তিত অবস্থায় দেখে বললেন,হে আলী! আমি তোমাকে উদ্বিগ্ন অবস্থায় দেখছি, তোমার পরিবারের কাউকে তোমার কানে আযান দিতে বলো,কেননা তা চিন্তা ও উদ্বিগ্নতা দূরকারী।

[মিরকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, আযান পর্ব,খ-২, পৃ-১৪৯,মুদ্রণ-মাকতাবায়ে ইমদাদীয়া,মুলতান]

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারি থেকে রক্ষায় অন্যান্য আমলের পাশাপাশি আযান দেয়া একটি শরীয়ত সমর্থিত মুস্তাহাব আমল। এটার জন্য কোন সময় নির্ধারিত নেই। মহান রাব্বুল আলামীন আমলের তাওফিক নসীব করুন। তদীয় প্রিয় হাবীব (ﷺ)'র উসীলায় মুসলিম মিল্লাতকে সকলপ্রকার বিপদাপদ ও মহামারী থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

Saturday, February 29, 2020

আল-ওয়াকিয়াহ

সুরা নং – ০৫৬ : আল-ওয়াকিয়াহ
(নিশ্চিত ঘটনা)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আরবি উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বাংলা অনুবাদ
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
إِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ56.1
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১। ইযা-অক্বা‘আতিল্ ওয়া-ক্বি‘আতু।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১ যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে।
لَيْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ56.2
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২। লাইসা লিঅক‘আতিহা-কা-যিবাহ্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২ তার সংঘটনের কোনই অস্বীকারকারী থাকবে না।
خَافِضَةٌ رَافِعَةٌ56.3
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩। খ-ফি দ্বোয়ার্তু র-ফি‘আহ।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩ তা কাউকে ভূলুণ্ঠিত করবে এবং কাউকে করবে সমুন্নত।
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ رَجًّا56.4
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪। ইযা- রুজ্জ্বাতিল্ র্আদু রজ্জ্বান্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪ যখন যমীন প্রকম্পিত হবে প্রবল প্রকম্পনে।
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا56.5
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫। অবুস্সাতিল্ জ্বিবা-লু বাস্সা-।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫ আর পর্বতমালা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়বে।
فَكَانَتْ هَبَاءً مُنْبَثًّا56.6
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬। ফাকা-নাত্ হাবা-য়াম্ মুম্বাছ্ছাঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬ অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।
وَكُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً56.7
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭। অকুন্তুম্আয্ওয়া-জ্বান্ ছালা-ছাহ্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭ আর তোমরা বিভক্ত হয়ে পড়বে তিন দলে।
فَأَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ56.8
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮। ফাআছ্হা-বুল্ মাইমানাতি মা য় আছ্হা-বুল্ মাইমানাহ্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮ সুতরাং ডান পার্শ্বের দল, ডান পার্শ্বের দলটি কত সৌভাগ্যবান!
وَأَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ مَا أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ56.9
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯। অআছ্হা-বুল্ মাশ্য়ামাতি মা য় আছ্হা-বুল্ মাশ্য়ামাহ্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯ আর বাম পার্শ্বের দল, বাম পার্শ্বের দলটি কত হতভাগ্য!
وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ56.10
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১০। অস্সা-বিকু নাস্ সা-বিকুন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১০ আর অগ্রগামীরাই অগ্রগামী।
أُولَئِكَ الْمُقَرَّبُونَ56.11
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১১। উলা-য়িকাল্ মুর্ক্বরাবূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১১ তারাই সান্নিধপ্রাপ্ত।
فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ 56.12
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১২। ফী জ্বান্না-তিন্ না‘ঈম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১২ তারা থাকবে নিআমতপুর্ণ জান্নাতসমূহে ।
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ56.13
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৩। ছুল্লাতুম্ মিনাল্ আউয়্যালীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৩ বহুসংখ্যক হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,
وَقَلِيلٌ مِنَ الْآخِرِينَ56.14
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৪। অক্বালীলুম্ মিনাল্ আ-খিরীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৪ আর অল্পসংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
عَلَى سُرُرٍ مَوْضُونَةٍ56.15
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৫। ‘আলা- সুরুরিম্ মাওদ্বূনাতিম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৫ স্বর্ণ ও দামী পাথরখচিত আসনে!
مُتَّكِئِينَ عَلَيْهَا مُتَقَابِلِينَ56.16
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৬। মুত্তাকিয়ীনা ‘আলাইহা-মুতাক্ব-বিলীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৬ তারা সেখানে হেলান দিয়ে আসীন থাকবে মুখোমুখি অবস্থায়।
يَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُخَلَّدُونَ56.17
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৭। ইয়াতুফু ‘আলাইহিম্ ওয়িল্দা-নুম্ মুখাল্লাদূন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৭ তাদের আশ-পাশে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোররা,
بِأَكْوَابٍ وَأَبَارِيقَ وَكَأْسٍ مِنْ مَعِينٍ56.18
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৮। বিআক্ওয়া-বিঁও অআবা-রীক্বা অকাসিম্ মিম্ মা‘ঈনিল্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৮ পানপাত্র, জগ ও প্রবাহিত ঝর্ণার শরাবপুর্ণ পেয়ালা নিয়ে,
لَا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنْزِفُونَ56.19
আরবি উচ্চারণ
৫৬.১৯। লা-ইয়ুছোয়াদ্দা‘ঊনা ‘আন্হা-অলা- ইয়ুন্যিফূন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.১৯ তা পানে না তাদের মাথা ব্যথা করবে, আর না তারা মাতাল হবে।
وَفَاكِهَةٍ مِمَّا يَتَخَيَّرُونَ56.20
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২০। অফা-কিহাতিম্ মিম্মা-ইয়াতাখাইয়্যারূন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২০ আর (ঘোরাফেরা করবে) তাদের পছন্দমত ফল নিয়ে।
وَلَحْمِ طَيْرٍ مِمَّا يَشْتَهُونَ56.21
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২১। অলাহ্মি ত্বোয়াইরিম্ মিম্মা-ইয়াশ্তাহূন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২১ আর পাখির গোশ্ত নিয়ে, যা তারা কামনা করবে।
وَحُورٌ عِينٌ56.22
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২২। অহূরুন্ ‘ঈনুন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২২ আর থাকবে ডাগরচোখা হূর,
كَأَمْثَالِ اللُّؤْلُؤِ الْمَكْنُونِ56.23
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৩। কাআম্ছা-লিল্ লুলুয়িল্ মাক্নূন্ ।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৩ যেন তারা সুরক্ষিত মুক্তা,
جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ56.24
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৪। জ্বাযা-য়াম্ বিমা-কা-নূ ইয়া’মালূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৪ তারা যে আমল করত তার প্রতিদানস্বরূপ।
لَا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا تَأْثِيمًا 56.25
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৫। লা-ইয়াস্মাঊ’না ফীহা-লাগ্ওয়াঁও অলা-তাছীমান্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৫ তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা;
إِلَّا قِيلًا سَلَامًا سَلَامًا56.26
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৬। ইল্লা-ক্বীলান্ সালা-মান্ সালা-মা-।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৬ শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’
وَأَصْحَابُ الْيَمِينِ مَا أَصْحَابُ الْيَمِينِ56.27
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৭। অআছ্হা-বুল্ ইয়ামীনি মা য় আছ্হা-বুল্ ইয়ামীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৭ আর ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!
فِي سِدْرٍ مَخْضُودٍ56.28
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৮। ফী সিদ্রিম্ মাখ্দ্বুদিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৮ তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুলগাছের নিচে,
وَطَلْحٍ مَنْضُودٍ56.29
আরবি উচ্চারণ
৫৬.২৯। অত্বোয়াল্হিম্ মান্দ্বুদিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.২৯ আর কাঁদিপণূর্ কলাগাছের নিচে,
وَظِلٍّ مَمْدُودٍ56.30
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩০। অজিল্লিম্ মামদূদিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩০ আর বিস্তৃত ছায়ায়,
وَمَاءٍ مَسْكُوبٍ56.31
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩১। অমা-য়িম্ মাস্কূবিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩১ আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে,
وَفَاكِهَةٍ كَثِيرَةٍ56.32
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩২। অ ফা- কিহাতিন্ কাছীরাতিল্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩২ আর প্রচুর ফলমূলে,
لَا مَقْطُوعَةٍ وَلَا مَمْنُوعَةٍ56.33
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৩। লা-মাকতুআতিঁও অলা-মাম্নূ‘আতিঁও ।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৩ যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না।
وَفُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ56.34
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৪। অফুরুশিম্ মারফূ‘আহ্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৪ (তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে;
إِنَّا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً56.35
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৫। ইন্না য় আন্শানা-হুন্না ইন্শা-য়ান্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৫ নিশ্চয় আমি হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করব।
فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا56.36
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৬। ফাজ্বা‘আল্না-হুন্না আব্কা-রন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৬ অতঃপর তাদেরকে বানাব কুমারী,
عُرُبًا أَتْرَابًا56.37
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৭। উ’রুবান্ আত্র-বাল্
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৭ সোহাগিনী ও সমবয়সী।
لِأَصْحَابِ الْيَمِينِ56.38
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৮। লিআছ্হা-বিল্ ইয়ামীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৮ ডানদিকের লোকদের জন্য।
ثُلَّةٌ مِنَ الْأَوَّلِينَ56.39
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৩৯। ছুল্লাতুম্ মিনাল্ আউয়্যালীনা।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৩৯ তাদের অনেকে হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।
وَثُلَّةٌ مِنَ الْآخِرِينَ56.40
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪০। অছুল্লাতুম্ মিনাল্ আ-খিরীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪০ আর অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ 56.41
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪১। অআছ্হা-বুশ্ শিমা- লি মা য় আছ্হা-বুশ্ শিমা-ল্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪১ আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!
فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ56.42
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪২। ফী সামূমিঁও অহামীমিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪২ তারা থাকবে তীব্র গরম হাওয়া এবং প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানিতে,
وَظِلٍّ مِنْ يَحْمُومٍ56.43
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৩। অজিল্লিম্ মিঁ ইয়াহ্মূমিল্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৩ আর প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,
لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ56.44
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৪। লা-বা-রিদিঁও অলা-কারীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৪ যা শীতলও নয়, সখু করও নয়।
إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِينَ56.45
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৫। ইন্নাহুম্ ক্বা-নূ ক্বব্লা যা-লিকা মুত্রাফীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৫ নিশ্চয় তারা ইতঃপূবের্ বিলাসিতায় মগ্ন ছিল,
وَكَانُوا يُصِرُّونَ عَلَى الْحِنْثِ الْعَظِيمِ56.46
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৬। অকা-নূ ইয়ুর্ছিরূ-না ‘আলাল্ হিন্ছিল্ ‘আজীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৬ আর তারা জঘন্য পাপে লেগে থাকত।
وَكَانُوا يَقُولُونَ أَئِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَئِنَّا لَمَبْعُوثُونَ56.47
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৭। অ কা-নূ ইয়াকু লূনা আইযা-মিত্না-অকুন্না-তুরা-বাঁও অই’জোয়া-মান্ য়াইন্না-লামাব্ঊছূনা।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৭ আর তারা বলত, ‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?’
أَوَآبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ56.48
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৮। আ ওয়া আ-বা-য়ু নাল্ আওয়ালূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৮ ‘আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও?’
قُلْ إِنَّ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ56.49
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৪৯। কুল্ ইন্নাল্ আউয়্যালীনা অল্আ-খিরীনা
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৪৯ বল, ‘নিশ্চয় পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,
لَمَجْمُوعُونَ إِلَى مِيقَاتِ يَوْمٍ مَعْلُومٍ56.50
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫০। লামাজ্ব্ মূ‘ঊ না ইলা-মীক্ব-তি ইয়াওমিম্ মা’লূম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫০ এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে অবশ্যই একত্র হবে’।
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ56.51
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫১। ছুম্মা ইন্নাকুম্ আইয়ুহাদ্দোয়া-ল্লূনাল্ মুকায্যিবূন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫১ তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,
لَآكِلُونَ مِنْ شَجَرٍ مِنْ زَقُّومٍ 56.52
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫২। লাআ-কিলূনা মিন্ শাজ্বারিম্ মিন্ যাককুমিন্
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫২ তোমরা অবশ্যই যাক্কূম গাছ থেকে খাবে,
فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ56.53
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৩। ফামা-লিয়ূনা মিন্হাল্ বুতুন্ ।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৩ অতঃপর তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ56.54
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৪। ফাশা-রিবূনা ‘আলাইহি মিনাল্ হামীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৪ তদুপরি পান করবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি।
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ56.55
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৫। ফাশা-রিবূনা র্শুবাল্ হীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৫ অতঃপর তোমরা তা পান করবে তৃষ্ণাতুর উটের ন্যায়।
هَذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ56.56
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৬। হা-যা-নুযুলুহুম্ ইয়াওমাদ্দীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৬ প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী,
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ56.57
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৭। নাহ্নু খলাকনা-কুম্ ফালাওলা তুছোয়াদ্দিক্বূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৭ আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না?
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تُمْنُونَ56.58
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৮। আফারায়াইতুম্ মা তুম্নূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৮ তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমরা যে বীযর্পাত করছ সে সম্পর্কে?
أَأَنْتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ56.59
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৫৯। আআন্তুম্ তাখ্লুকু নাহূ য় আম্ নাহ্নুল ‘খ-লিকুন্ ।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৫৯ তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমিই তার স্রষ্টা?
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ56.60
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬০। নাহ্নু ক্বার্দ্দানা-বাইনাকুমুল্ মাওতা অমা-নাহ্নু বিমাস্বূক্বীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬০ আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারণ করেছি এবং আমাকে অক্ষম করা যাবে না,
عَلَى أَنْ نُبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنْشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ56.61
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬১। ‘আলা য় আন্ নুবাদ্দিলা আম্ছা-লাকুম্ অনুন্শিয়াকুম্ আম্ছা-লাকুম্ অনুন্শিয়াকুম্ ফীমা-লা-তা’লামূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬১ তোমাদের স্থানে তোমাদের বিকল্প আনয়ন করতে এবং তোমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না।
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَى فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ 56.62
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬২। অলাক্বদ্ ‘আলিম্তুমুন্ নাশ্য়াতাল্ ঊলা-ফালাওলা- তাযাক্কারূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬২ আর তোমরা তো প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছ, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না?
أَفَرَأَيْتُمْ مَا تَحْرُثُونَ56.63
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৩। আফারায়াইতুম্ মা-তাহারুছূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৩ তোমরা আমাকে বল, তোমরা যমীনে যা বপন কর সে ব্যাপারে,
أَأَنْتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ56.64
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৪। আআন্তুম্ তায্রঊ’নাহূ য় আম্ নাহ্নুয্ যা-রিঊ’ন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৪ তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?
لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ56.65
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৫। লাও নাশা-য়ু লাজ্বা‘আল্না-হু হুত্বোয়া-মান্ ফাজোয়াল্তুম্ তাফাক্কাহূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৫ আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, তখন তোমরা পরিতাপ করতে থাকবে-
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ56.66
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৬। ইন্না-লামুগ্রমূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৬ (এই বলে,) ‘নিশ্চয় আমরা দায়গ্রস্ত হয়ে গেলাম’।
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ56.67
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৭। বাল্ নাহ্নু মাহ্রূমূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৭ ‘বরং আমরা মাহরূম হয়েছি’।
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ56.68
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৮। আফারয়াইতুমুল্ মা-য়াল্ লাযী তাশ্রবূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৮ তোমরা যে পানি পান কর সে ব্যাপারে আমাকে বল।
أَأَنْتُمْ أَنْزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُونَ56.69
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৬৯। আআন্তুম্ আন্ যাল্তুমূহু মিনাল্ মুয্নি আম্ নাহ্নুল্ মুন্যিলূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৬৯ বৃষ্টিভরা মেঘ থেকে তোমরা কি তা বষর্ণ কর, না আমি বৃষ্টি বষর্ণ কারী?
لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ56.70
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭০। লাও নাশা-য়ু জ্বা‘আল্না-হু উজ্বা-জ্বান্ ফালাওলা- তাশ্কুরূ ন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭০ ইচ্ছা করলে আমি তা লবণাক্ত করে দিতে পারি: তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না?
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ56.71
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭১। আফারয়াইতুমু ন্না-র ল্লাতী তূরূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭১ তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে ব্যাপারে আমাকে বল,
أَأَنْتُمْ أَنْشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنْشِئُونَ 56.72
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭২। আ-আন্তুম্ আন্শাতুম্ শাজ্বারতাহা য় আম্ নাহ্নুল্ মুন্শিয়ূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭২ তোমরাই কি এর (লাকড়ির গাছ) উৎপাদন কর, না আমি করি?
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِلْمُقْوِينَ56.73
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৩। নাহ্নু জ্বা‘আল্না-হা তায্কিরতাঁও অমাতা-‘আল্ লিল্মুকওয়ীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৩ একে আমি করেছি এক স্মারক ও মরুবাসীর প্রয়োজনীয় বস্তু
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ56.74
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৪। ফাসাব্বিহ্ বিস্মি রব্বিকাল্ ‘আজীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৪ অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ56.75
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৫। ফালা য় উক্বসিমু বিমাওয়া-ক্বি‘ইন্ নুজুমি।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৫ সুতরাং আমি কসম করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ56.76
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৬। অইন্নাহূ লাক্বাসামু ল্লাও তা’লামূনা ‘আজীম।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৬ আর নিশ্চয় এটি এক মহাকসম, যদি তোমরা জানতে,
إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ56.77
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৭। ইন্নাহূ লা কুর আ-নুন্ কারীমুন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৭ নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত কুরআন,
فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ56.78
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৮। ফী কিতা-বিম্ মাক্নূনিল্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৮ যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে,
لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ56.79
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৭৯। লা ইয়া স্সুহূ য় ইল্লাল্ মুত্বোয়াহ্ হারূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৭৯ কেউ তা স্পর্শ করবে না পবিত্রগণ ছাড়া।
تَنْزِيلٌ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ56.80
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮০। তান্যীলুম্ র্মি রব্বিল্ ‘আ-লামী ন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮০ তা সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে নাযিলকৃত।
أَفَبِهَذَا الْحَدِيثِ أَنْتُمْ مُدْهِنُونَ56.81
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮১। আফাবিহা-যাল্ হাদীছি আন্তুম্ মুদ্হিনূনা।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮১ তবে কি তোমরা এই বাণী তুচ্ছ গণ্য করছ?
وَتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ56.82
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮২। অতাজ্ব ‘আলূনা রিয্ক্বকুম্ আন্নাকুম্ তুকায্যিবূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮২ আর তোমরা তোমাদের রিয্ক বানিয়ে নিয়েছ যে, তোমরা মিথ্যা আরোপ করবে।
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُومَ56.83
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৩। ফালাওলা য় ইযা-বালাগতিল্ হুল্ক্বুম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৩ সুতরাং কেন নয়- যখন রূহ কণ্ঠদেশে পৌঁছে যায়?
وَأَنْتُمْ حِينَئِذٍ تَنْظُرُونَ 56.84
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৪। অআন্তুম্ হীনায়িযিন্ তান্জুরূনা।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৪ আর তখন তোমরা কেবল চেয়ে থাক।
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْكُمْ وَلَكِنْ لَا تُبْصِرُونَ56.85
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৫। অনাহ্নু আকরাবু ইলাইহি মিন্কুম্ অলা-কিল্লা-তুব্ছিরূন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৫ আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।
فَلَوْلَا إِنْ كُنْتُمْ غَيْرَ مَدِينِينَ56.86
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৬। ফালাওলা য় ইন্ কুন্তুম্ গইর মাদীনীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৬ তোমাদের যদি প্রতিফল দেয়া না হয়, তাহলে তোমরা কেন
تَرْجِعُونَهَا إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ56.87
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৭। র্তাজ্বি‘ঊনাহা য় ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৭ ফিরিয়ে আনছ না রূহকে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
فَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِينَ56.88
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৮। ফা আম্মা য় ইন্ কা-না মিনাল্ মুর্ক্বারবীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৮ অতঃপর সে যদি নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্যতম হয়,
فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّةُ نَعِيمٍ56.89
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৮৯। ফারওহুঁও অরইহা-নুঁও অজ্বান্নাতু না‘ঈম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৮৯ তবে তার জন্য থাকবে বিশ্রাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখময় জান্নাত।
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ56.90
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯০। অ আম্মা য় ইন্ কা-না মিন্ আছ্হা-বিল্ ইয়ামীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯০ আর সে যদি হয় ডানদিকের একজন,
فَسَلَامٌ لَكَ مِنْ أَصْحَابِ الْيَمِينِ56.91
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯১। ফাসালা-মুল্ লাকা মিন্ আছহা-বিল্ ইয়ামীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯১ তবে (তাকে বলা হবে), ‘তোমাকে সালাম, যেহেতু তুমি ডানদিকের একজন’।
وَأَمَّا إِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِينَ الضَّالِّينَ56.92
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯২। অ আম্মা য় ইন্ কা-না মিনাল্ মুকায্যিবীনাদ্ব্ দ্বোয়া-ল্লীন।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯২ আর সে যদি হয় অস্বীকারকারী ও পথভ্রষ্ট,
فَنُزُلٌ مِنْ حَمِيمٍ56.93
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯৩। ফা নুযুলুম্ মিন্ হামীমিঁও।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯৩ তবে তার মেহমানদারী হবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি দিয়ে,
وَتَصْلِيَةُ جَحِيمٍ56.94
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯৪। অ তাছ্লিয়াতু জ্বাহীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯৪ আর জ্বলন্ত আগুনে প্রজ্জ্বলনে।
إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ56.95
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯৫। ইন্না হা-যা-লাহুওয়া হাককুল্ ইয়াক্বীন্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯৫ নিশ্চয় এটি অবধারিত সত্য।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ 56.96
আরবি উচ্চারণ
৫৬.৯৬। ফাসাব্বিহ্ বিস্মি রব্বিকাল্ ‘আজীম্।
বাংলা অনুবাদ
৫৬.৯৬ অতএব তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।

Friday, February 21, 2020

সৌদি আরবে পীর নাই কেন??

#কিছুদিন আগে একজন পোস্ট দিয়েছিলো যে,
"সৌদি আরব নাকি পীর নাই"!

আমি কমেন্ট করলাম, সৌদি আরব তো নামাজও নাই।
আরেকজন আমার কমেন্টের রিপ্লাই দিলো,
"নামাজ গেলো কই"?
আমি লিখলাম, "পীর গেলো কই"?
অন্যজন এসে নাক গলিয়ে বলল যে,
"সৌদিআরব সালাত আছে , সালাত"!
তখন আমি বললাম, "সৌদিআরব তো শায়েখ আছে, শায়েখ "

#পরে আর কোন রিপ্লাই দেয়নি ওরা...!
-
বাংলার পানি, ভারতের জল, ইংল্যান্ডের ওয়াটার, আরবের মাউন।
ঠিক তেমনি বাংলার মুরুব্বী,পাশ্চাত্যের পীর,আরবের শায়েখ, আর কোরআনের মুর্শিদ বা আউলিয়া ।

#এখন যদি কোন ব্যাক্তি যদি বলে আমি মাউন বা জল খাই, পানি খাই না! সে যেমন গাধা!

#ঠিক তেমনি, কেউ যদি বলে আমি শায়েখ বা মুরুব্বী মানি,কিন্তুু পীর মানিনা- সেও তেমন গাধা!.........
আপনারা কি একমত??????

সংগ্রহীত
Copy

Saturday, February 1, 2020

মিজান অনুসারিদের কাছে প্রশ্ন।

#ওরে_অন্ধ_ব্যক্তি_পূজারী
👉যখন আল্লাহর শানে কুরুচিপূর্ণ কথা বলল তখন আপনার গায়ে লাগেনি !!?
👉যখন রাসুল (সাঃ) এর শানে কুরুচিপূর্ণ কথা বলল আপনার গায়ে লাগেনি !!?
👉যখন হযরত উমর (রাঃ) এর শানে কুরুচিপূর্ণ কথা বলল তখন আপনার গায়ে লগেনি !!?
👉যখন মা খাদিজা (রাঃ) এর শানে কটুক্তি করল তখন আপনার গায়ে লাগেনি !!?
👉যখন হযরত আলি (রাঃ) এর শানে কুরুচিপূর্ণ কথা বলল তখন আপনার গায়ে লাগেনি !!?
👉পর্দা বিরোধী অবস্থান আপনার ঈমানে আঘাত করেনি !!?
👉কিন্তু......
যখন ইহুদি খৃষ্টান মেয়েকে বিবাহ করা যাবে বলল তখন আপনি দারুণ খুশি!
👉তারাবি নামাজকে কমিয়ে ৪ রাকা'ত করা আপনার মনের মতো হয়েছে !
👉ক্বাজা নামাজ মাফ হয়ে যাওয়াতে আপনি খুশিতে আত্মাহারা !!
👉হালাল বিনোদনের নামে নাটক দেখার সুযোগ লুফে নিয়েছেন !!
👉সুন্নাত নামাজ না পড়লেই চলবে দারুণ মজা !
👉সুন্নতি পোশাক ছেড়ে শার্ট-প্যন্ট পড়ে কাবার ইমাম হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছেন !
👉কমেডি বক্তার মুসা (আঃ) কে নিয়ে কটুক্তি করা আপনার ঈমানে আঘাত করেনি !
👉ভার্সিটিরমাল নাসেখ-মানসুখ অস্বীকার করা আপনার কাছে সামান্য ব্যাপার মনে হয়েছে !
👉অজু ছাড়া কোরআন শরীফ ধরা যাবে এই ফতোয়া আপনার অন্ততরে কোন প্রশ্ন সৃষ্টি করনি !
👉নিজের শরীরে ইসলাম কায়েম না করে সারাদেশে ইসলাম কায়েমের আন্দোলন আপনার শহিদী তামান্নাকে দ্বিগুন করে দেয় !
👉১৯৯০ তে সব অর্জন।
খেলা আর খতীবের দ্বায়িত্ব পালনের যৌগ্যতা আপনার চেয়ে আর কি গৌরবের কথা হতে পারে !!?
👉৩/৪ বছরের মেয়েদেরকে সন্তান লালন-পালন শেখাতে পুতুল ( মুর্তি) নিয়ে খেলা করতে দেয়া। কি সুন্দর নিয়ম তাই না?
👉এখন কি আমি কাটমোল্লা?
নাকি মাজার পুজারি?
ভন্ড পীরের মুরিদ?
নাকি জনপ্রিয়তা দেখে হিংসুক ?
👉আর.....
আপনি প্রকৃত ইমানদার ?

Sunday, January 19, 2020

মিথ্যুক কিভাবে মুফাসসির হয়!

লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়েই মন্তব্য করবেন আশাকরি। আমার কথায় কোন ধরনের ভুল থাকলে দেখিয়ে দেবেন, তা অকপটে স্বীকার করতে সর্বদাই প্রস্তুত আছি । আমি হীনমন্যতার ঊর্ধ্বে থাকতে ভালোবাসি। যুগে যুগে জ্ঞানের আলোকবর্তিকা নিয়ে যেসব মনীষী পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যারা অন্যায় ও অসত্যের কাছে কোনোদিন মাথানত করেননি , ইসলাম ও মানুষের কল্যাণে সারা জীবন যারা পরিশ্রম করে গেছেন তাঁদের অন্যতম হজরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি রহমাতুল্লাহি আলাইহি। ভারতীয় উপমহাদেশে যাকে খাজা সাহেব হিসেবে চেনেন। যার অবদান কোন মুসলমানের পক্ষে অস্বীকার করা মানে নিজ জাতের সাথে বেঈমানী করার মতো। ওলি আল্লাহ বলতে যেসব নাম প্রথমেই উচ্চারিত হয় সেখানে তিনিই অন্যতম। খাজা কিংবা কোন প্রসিদ্ধ দরবারে কিছু মূর্খদের মুর্খামির দায়বার মাটির নিচে শুয়ে থাকা লোকটির নয়। অথচ সেইসব অজ্ঞদের সমালোচনা করতে গিয়ে খাজাবাবা কে গাঁজাবাবা বলা কোন বিবেকবান মানুষের হওয়া উচিৎ নয়। আর সেই বেয়াদবি মূলক বক্তব্যের ফলাফল আজ সাধারণ মানুষ খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে। এজন্য আল্লাহ তার কালামে পাকে বলেন,
أَلا إِنَّ أَوْلِيَاء اللّهِ لاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর (ওলি) বন্ধু, তাদের না কোন ভয় ভীতি আছে, না তারা চিন্তান্বিত হবে।
لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَياةِ الدُّنْيَا وَفِي الآخِرَةِ لاَ تَبْدِيلَ لِكَلِمَاتِ اللّهِ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
তাদের জন্য সুসংবাদ পার্থিব জীবনে ও পরকালীন জীবনে। আল্লাহর কথার কখনো হের-ফের হয় না। এটাই হল মহা সফলতা। (সুরা ইউনুছ ৬২ এবং ৬৪)
👉 খাজা গরিব নওয়াজই উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ ইসলাম প্রচারক। নিখিল ভারতে ইসলামের ভিত্তিকে সুদৃঢ়ভাবে তিনিই স্থাপন করেছেন আর তারই দোয়ায় ভারতবর্ষে মুসলিম রাজত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।
◾ ব্যক্তিগত কোন আক্রোশে আমি পোস্ট করিনা। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবে চুপ থাকতেও পারিনা। তাই কারো নাম উল্লেখ না করেই কথাগুলো বলছি। আফসোস, আজ মুসলিম সমাজ কিছু বক্তা নামের মিথ্যুকের কাছে নিয়মিত ধোঁকা খেয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নিয়ে তারা আজ নিজেদের প্রকাশের প্রতিযোগীতায় নেমেছে। প্রতিদিন নিত্যনতুন ইসূ নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত করছেন। ওয়াজের নামে আওয়াজ দিয়ে ঠিক বেঠিকের হাজিরা নিয়ে নিচ্ছেন শ্রোতাদের কাছ থেকে। আমলি শিক্ষার চেয়ে হিন্দি গানের সুরের মূর্ছনায় মঞ্চ মাতাচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন তো সেসব বক্তা গান না শুনে কিভাবে গানের সেই সুর নকল করেন! নিয়মিত গান শুনা নিশ্চিত গায়ক থেকে ওয়াজের বক্তার কাতারে আজ তাদের অবস্থান।
একটি কথা সবার জানা থাকা উচিৎ যে, কারো সাথে মতের অমিল হলেই যে তার বিরোধিতা করতে হবে এমন নয়। কেবল "লা-নাতুল্লাহি আলাল কাজেবীন" মিথ্যাবাদির প্রতি আল্লাহর লানত যে বিদ্যমান তাই আজ বলতে বাধ্য হয়েছি।
এতোদিন believe it or not (বিশ্বাস করুন আর নাই করুন) কথাটি দিয়ে নিশ্চয় পত্রিকার পাতায় কিছু অবিশ্বাস্য কথা উল্লেখ করা দেখেছেন। কিন্তু বর্তমানে সেটি পত্রিকার পাতায় নয় বরং মাহফিলেও নিয়মিত লক্ষণীয়! এই যেমন,
১) আমেরিকার নাসার কর্তৃপক্ষ তাকে তিনবার আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং সেখানকার গবেষকরা বলেছে সূর্য পশ্চিম দিকেও উদিত হতে পারে। আরে নাসা কেন বলতে যাবে এটি তো কিয়ামতের আলামত এর অংশ।
২) সাঈদী সাহেবের চাঁদে দেখার গুজবটির সত্যতা প্রমানসাপেক্ষেও সে এক নতুন নাটকের অবতারণা করেছিলো ততকালীন সময়ে। আর তা হচ্ছে ঠিক এমন যে, আরবের এক ঈমাম নাকি তাকে বলতে এসেছিল উনি সাঈদী সাহেবকে চাঁদে দেখেছেন।
৩) তিন তিনবার বিশ্ববিখ্যাত অক্সফোর্ডের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিল নাকি সে। আর সেই মিথ্যাকে সত্য প্রচারের চতুরতায় সে মাহফিলে বলে আমার এ শ্রেষ্ঠ শিক্ষকতার কথা আমার পরিবারের সদস্যরাও জানেনা। আশ্চর্য! এ কেমন পরিবার যারা এতোবড় সফলতার খবর জানেনা!
৪) ব্যাডমিন্টনে সে যে দেশ সেরা খেলোয়াড় তা আপাতত বিশ্বাস করলেও ৯০ এর দশকের প্রথম দিকে সে যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগেও ফুটবল খেলে প্রচুর টাকা ইনকাম করেছিলেন তা কেমনে?
৫) আইফোন কার তৈরী সেটি ছোট্ট একটি বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করলেও হয়তো উত্তর মিলবে। অথচ সে বলে মাইক্রোসফটের বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটস নাকি আইফোন তৈরী করেছে। শুধু তাই নয় তার সাথে দেখাও হয়েছে নাকি তার। এবং বিল গেটস নাকি দেখতে টিকটিকির মতো! মানুষের রূপ কি সত্যি টিকটিকির মতো! এও কি সম্ভব?
৬) ইমাম মেহেদি নাকি ইয়ামেনের কারাগারে বন্ধি ছিলো এতোদিন! পরে সেখান থেকে পালিয়েছে। অর্থাৎ ইমাম মেহেদিরও তার ভাষ্যমতে জন্ম হয়েছে। এবং এ পৃথিবীতে অবস্থান করছেন।
৭) আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্যরা বোমার আঘাতে কোন মানুষের ক্ষতি করতে পারেনি কারণ সমস্ত বোম নাকি সাদা পাগড়ীওয়ালা ফেরেস্তারা নিয়ে নদীতে ফেলে দিয়েছে। একটি বোমাও নাকি সেখানে আঘাত হানেনি। এমন দৃশ্য নাকি মার্কিন সৈন্যরা বিমান থেকে বোমা ফেলার সময় দেখতে পেতো! অথচ খবরের কাগজ আফগানি মুসলমানদের রক্তে রক্তাক্ত দেখছিলাম। মার্কিনীরা তো আফগানিস্তানকে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছে।
৮) হেফাজতের আমীর মুফতি শফি নাকি স্বপ্নে দেখেছিলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামাত নেতা কাদের মোল্লা জান্নাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মোসাবাহা করছেন! এই আজগুবি বানোয়াট কাহিনীটিরও মঞ্চায়ন করেছেন ঠিক একই ব্যক্তি।
৯) সিরিয়া থেকে নাকি 'ডোনাল্ড ট্রাম্প'কে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বানিয়েছে আল্লাহ! তাও নাকি কুরআনের আয়াত দিয়ে প্রমাণিত!
১০) নাসার গবেষকরা তাকে জানিয়েছে আগামী ৭৫ বছরের মধ্যে এ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। কেন কুরআনে কি কিয়ামত এর কোন আলামত নেই?
👉 এভাবে আরো কতো কি⁉ শুধু ১০টি উপস্থাপন করেছি। তবুও যে আমরা আজ জন্মান্ধে পরিণত হয়েছি। বিবেক বুদ্ধি যেন তাদের মিথ্যের কাছে বন্ধক রেখেছি। ভালোমন্ধ বুঝার ক্ষমতা হারিয়ে তাদেরকে মুফাসসির বলে আখ্যায়িত করছি । জানেন কেন? শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের খাতিরে।

Friday, December 6, 2019

মাজার আছে মাজার থাকবে।

🔵 কারো বিরুদ্ধে নয় কিছু সত্য প্রকাশ করতে চাই
অর্থাৎ যারা মাজার শরীফ মানেন না,
অলি আউলিয়া কেরামতকে কে মানেন না
আপনাদেরকে বলি,
নিজের বিবেক দিয়ে একটু ভেবে দেখুন তো।

====>>>>
🔵 মাজার নাই ফেরাউনের
কিন্তু মুসা (আঃ) নবীর মাজার শরীফ আছে।

🔵 মাজার নাই নমরূদের
 কিন্তু বাবা ইব্রাহিম নবীর (আঃ) মাজার শরীফ আছে।

🔵 মাজার নাই আবু জাহেলের
কিন্তু আমাদের রাসূল পাক (সাঃ) মাজার শরীফ ঠিকই আছে।

 🔵 মাজার নাই এজিদের
 কিন্তু ইমাম হুসাইন (রাঃ) মাজার শরীফ ঠিকই আছে।

 মতান্তরে  ২ লক্ষ ২৪ হাজার পয়গম্বরের যেখানে তাদের রওজা শরীফের সন্ধান পেয়েছে সেখানে তাদের মাজার শরীফ আছে।

আর যারা মাজার শরীফের যিয়ারত কে বেদআত বলে শিরিক বলে এবং বাংলাদেশর মাজার শরীফ নিয়ে যারা বাজে মন্তব্য করেছেন তাদের মধ্যে তিনজনের কথা পোস্ট করলাম।

🔷 প্রথম
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, বাংলাদেশ থেকে সমস্ত মাজার ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দিয়েছিল, চট্টগ্রাম এর শাহ আমানত এর মাজার দেখে বলে ছিল, উনাকে কি মশা কামড়াচ্ছে?? এখানে মশারি কেন?? মাজার শরীফ ঠিকই আছে কিন্তু সাঈদী আজকে  জেলখানায় সেই মশার কামড় খাচ্ছে,পঁচে-গলে  মরতেছে।

🔷 দ্বিতীয়
আল্লামা জুবায়ের আনসারী, উনি নবীজীর সাঃ দুরুদ সালাম নিয়ে মুখ ভেঙ্গে ভেঙ্গে কথা বলেছিল আজকে দুরুদ সালাম টিকিই মানুষ করতেছে
কিন্তু জুবায়ের আনসারী মুখ বাঁকা হয়ে গেছে।

🔷 তৃতীয়
 আল্লামা বাবুনগরী, উনি বাংলাদেশের সমস্ত মাজার লাথি মেরে ভেঙ্গে দিতে বলেছিল
কিন্তু বাংলাদেশের মাজার টিকিই আছে কিন্তু উনার পা পচঁন ধরেছে।

 এটাই বুঝাতে চাই যুগে যুগে যারা নবীদের বিরুদ্ধে ওলী আউলিয়াদের বিরুদ্ধে কথা বলে তারাই নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে তারাই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

অলি আউলিয়া একরাম যুগে যুগে ছিল
তারাই থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত.......!

Saturday, October 20, 2018

সর্ব প্রথম আল্লাহ কি সৃষ্টি করেছেন??

তাখলিকে নূরে মোহাম্মাদী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কিত হাদিসটি তাসনীফ করেছেন হাফিজুল কবির,মুহাদ্দিস মশহুর,
ইমাম আবদুর রাজ্জাক বিন হুম্মাম বিন নাফে আল সানআনি (রহঃ).যিনি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহঃ) এর উস্তাদ ,, ইমাম বুখারীর (রহঃ) উস্তাদের উস্তাদ..তাঁহার এই মুসান্নাফ 
১১০০ আগে লেখা হয়েছে.সুবহানাল্লাহ ..
নবীজির নূর হওয়ার হাদিস নং-১৮
প্রকাশনা- বৈরুত ,লেবানন..
হাদিসে নূর এর সনদ পর্যালোচনা::
উক্ত সহীহ হাদিসের সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত এবং সিহা সিত্তার কিতাবে তাঁহাদের বর্ণিত অনেক হাদিস রয়েছে..বিশেষ করে জলিল কদর তাবেয়ী হজরত মোহাম্মদ ইবনে মোনকাদির (রহঃ) তাঁহার উস্তাদ সাহাবী হজরত জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাদি.) থেকে এই হাদিস বর্ণনা করেন.. তাবে তাবেয়ী হজরত আবু উরওয়া মুয়াম্মার বিন রাশিদ (রহঃ) বিশ্বস্ত..তিনি তাঁহার উস্তাদ হজরত ইবনে মোনকাদির (রহঃ) থেকে এবং মুহাদ্দিস ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহঃ) তাঁহার উস্তাদ হজরত মুয়াম্মার (রাদি.) এই সহীহ হাদিস বর্ণনা করেন..
বিখ্যাত ছাহাবী হজরত জাবির বিন আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত..
হাদীস শরীফ –
ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﺭﺻﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﻠﺖ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺑﺎﺑﻲ ﺍﻧﺖ ﻭ ﺍﻣﻲ ﺍﺧﺒﺮﻧﻲ ﻋﻦ ﺍﻭﻝ ﺷﻴﻲﺀ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ ﻗﺎﻝ ﻳﺎ ﺟﺎﺑﺮ ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﻗﺪ ﺧﻠﻖ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ ﻧﻮﺭ ﻧﺒﻴﻚ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻩ ﻓﺠﻌﻞ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻳﺪﻭﺭ ﺑﺎﻟﻘﺪﺭﺓ ﺣﻴﺚ ﺷﺎﺀ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﻭﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻓﻲ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻮﻗﺖ ﻟﻮﺡ ﻭﻻ ﻗﻠﻢ ﻭﻻ ﺟﺘﺔ ﻭﻻ ﻧﺎﺭ ﻭﻻ ﻣﻠﻚ ﻭﻻ ﺳﻤﺎﺀ ﻭﻻ ﺍﺭﺽ ﻭﻻ ﺷﻤﺲ ﻭﻻ ﻗﻤﺮ ﻭﻻ ﺟﻨﻲ ﻭﻻ ﺍﻧﺴﻲ …. ﺍﻟﻲ ﺍﺧﺮ
অর্থ: হযরত জাবের রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার পিতা মাতা আপনার জন্য কুরবানি হোক,
আপনি আমাকে জানিয়ে দিন যে, আল্লাহ পাক সর্ব প্রথম কোন জিনিস সৃষ্টি করেছেন? তিনি বলেন, হে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু আনহু! নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক সর্ব প্রথম সব কিছুর পূর্বে আপনার নবীর নূর মুবারক সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর সেই নূর মুবারক আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছা অনুযায়ী কুদরতের মাঝে ঘুরছিলো।আর সে সময় লওহো, ক্বলম, জান্নাত, জাহান্নাম,
ফেরেশতা, আসমান, জমিন, চন্দ্র, সূর্য,
মানুষ ও জ্বিন কিছুই ছিলো না। (“সংক্ষেপিত)
এই হাদীসটি অনেক বড় তাই সংক্ষেপ করা হয়েছে.
এই হাদীসটি সহ নবীজির নূর হওয়ার অন্যান্য রেওয়ায়েত এসেছে.
# 1.দালায়েলুন নবুওয়ত/মুহাদ্দিস কবির, ইমাম হাফেজ আবু বকর বায়হাকী শাফেয়ী (রহঃ)
# 2.মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক (রহঃ)
# 3.মিরকাত শরহে মিশকাত কৃত মোল্লা আলী কারী হানাফী (রহঃ)
# 4.দাকাইকুল আখবার কৃত মুজাদ্দিদে দ্বীন,হুজ্জাতুল ইসলাম , ইমাম আবু হামিদ গাজ্জালী শাফেয়ী (রহঃ)
# 5.শরহে শামায়েলে তিরমিযী কৃত শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে হাজর আসকালানী শাফেয়ী (রহঃ)
# 6.ফতহুল বারী শরহে সহীহ বুখারী কৃত শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে হাজর আসকালানী শাফেয়ী (রহঃ)
# 7.দালায়েলুন নবুওয়াত ১৩/৬৩
# 8 মাওয়াহেবুল্লাদুন্নিয়া,,ইমাম কুস্তুলানী (রহঃ) ১/৯
# 9 মাদারেজুন নবুওয়াত ২/২
# 10. যুরকানী শরীফ ১/৪৬
# 11.তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১৭/১০৫
# 12.সীরাতে হালবীয়া ১/৩০
# 13. নি’ মাতুল কুবরা,,ইমাম ইবনে হাজার হায়তামী মক্কী (রহঃ)
# 14.হাদ্বীকায়ে নাদীয়া আল্লামা আব্দুল গনি নাবলুসি (রহঃ) ২/৩৭৫
# 15. দাইলামী শরীফ ২/১৯১
# 16.মকতুবাত শরীফ ৩ খন্ড ১০০ নং মকতুব
# 17.মওজুয়াতুল কবীর ৮৩ পৃ
# 18 রুহুল বয়ান শরীফ সহ প্রভৃতি নির্ভরযোগ্য দ্বীনি কিতাবাদীতে