Sunday, September 14, 2014

মাজার প্রসঙ্গ ~>>> ~~> কিছু জিঙ্গাসা ও উত্তরঃ



অভিযোগঃ মাজারে সেজদা করা হয়। সুতরাং মাজার ভেঙ্গে গুড়িয়ে দাও। শিরক বন্ধ কর।
উত্তরঃ মাজারে কিছু লোক সেজদা করে এটা সত্য। যারা করে তারা ধর্মীয় জ্ঞানের দিক থেকে একেবারেই অজ্ঞ।
~> এখন আমার প্রশ্নটা হচ্ছে মাজারে সেজদা করাকে আহলে সুন্নাতের কোন আলেম সওয়াবের কাজ বলেছে কি ?
কোন সম্প্রদায়কে বিবেচনা করতে হয় তাদের মূলনীতি বা বিশ্বাস
দেখে, অনুসারীদের দেখে নয় ।
আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আক্বিদা বা বিশ্বাস হচ্ছে মাজারে সিজদা করা যাবেনা। এখন যারা করে দোষটা তাদের উপর বর্তায়।
~> আরেকটু ক্লিয়ার করে বলি,
মসজিদে মানুষ নামাজ পড়তে যায়। কেউ কেউ আবার জুতা চুরিও
করতে যায়। এখন আপনার
জুতা চুরি হয়েছে বলে কি আপনি মসজিদকে দোষারোপ করবেন কী?
মসজিদ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে চাইবেন কী?
নিশ্চয়ই না !
আরেকটু ক্লিয়ার করি। মুসলিমদের
মধ্যে কেউ কেউ বিপদগামী হয়ে চরমপন্থা তথা জঙ্গীবাদকে ইসলাম
প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে। যাদের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। কিছু জঙ্গীদের কারণে অমুসলিমরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করে এবং ইসলামকে একটি সন্ত্রাসী ধর্ম বলে প্রচার করে। এখন আপনি কি বিশ্বাস করেন কিছু মুসলিমদের কারণে সকল মুসলিম এবং ইসলাম একটি সন্ত্রাসী ধর্ম যেখানে ইসলাম সন্ত্রাসবাদেরবিরুদ্ধে?
উত্তর অবশ্যই না !
তাহলে আপনি কিভাবে বলেন কিছু
অজ্ঞ লোক মাজারে সেজদা করার
কারণে সকল সুন্নীদের মাজার
পূজারী, শিরকি যেখানে সুন্নী সম্প্রদায় মাজারে সেজদা করাকে নিষিদ্ধ মনে করে ?
শেয়ার করুন ।মন না চাইলে কপি করুন ।তবুও বাতেলদের কাছে পৌছানো চাই ।
—

Saturday, September 13, 2014

মীলাদ শরীফ

মীলাদ শরীফ-কিয়াম শরীফ নূরে মুজাস্‌‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিল।
মীলাদ শব্দের অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। অতএব, তা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সবারই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণের যামানাতেই ছিল।
এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা তাঁর নিজ গৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশী প্রকাশ করেছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর প্রশংসা তথা তাছবীহ তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর (ছলাত-সালাম) দুরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপস্থিত হলেন। (তিনি যখন উপস্থিত হলেন, সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে অর্থাৎ
ক্বিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন) তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
“তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব। (সুবুলুল হুদা ফি মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী ও মীলাদে আহমদী, পৃষ্ঠা ৩৫৫)
আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে হযরত আবূ আমের আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তাঁর সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতী-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফের ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস অর্থাৎ এই দিবসে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। (তিনি যখন উপস্থিত হলেন সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে কিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন।)
তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমতের দরজা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফিরিস্তাগণ তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের মত এরূপ করবেন। তোমার মত সেও নাজাত ও ফযীলত লাভ করবে।” (কিতাবুত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযির, ছুবুলুল হুদা ফী মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
উপরোক্ত হাদীছ শরীফদ্বয়ের দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হলো যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ স্বয়ং মীলাদ শরীফ পাঠ করতেন এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তা’যীম বা সম্মানার্থে কিয়াম করতেন। বর্তমানে যে সুনির্দিষ্ট তর্জ-তরীকায় মীলাদ মাহফিল হয় তাতে নূরে মুজাস্‌‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত সংক্ষিপ্তভাবে করা হয়ে থাকে যা খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।

Thursday, September 11, 2014

-সমূদ্রের তুফান দুর হয়ে গেল:অবশ্যই পড়ুন_-_-_-

একবার ফোরাত নদীতে এমন ভয়ঙ্কর
তুফান আসল যে বন্যায় ক্ষেত-
খামারগুলো ডুবে গেল।
সেখানকার লোকেরা হযরত
আলী (রঃ) এর
দরবারে এসে ফরিয়াদ করলেন :
তিনি তৎক্ষণাৎ দাঁড়ালেন
এবং রাসূলে পাক,
সাহিবে লওলাক এর জুব্বা মুবারক,
পাগড়ি মুবারক, চাদর মুবারক
পরিধান করে ঘোড়ায় আরোহন
করলেন, হাসনাইনে করীমাইন
(অর্থাৎ ইমাম হাসান ও ইমাম
হোসাইন)ও অন্যান্য সাহাবীগণও
সাথে রওয়ানা হয়ে পড়লেন।
ফোরাত নদীর
তীরে তিনি দু’রাকাত নামায
আদায় করলেন। অত:পর পুলের উপর
তাশরীফ নিয়ে গিয়ে আপন
লাঠি মুবারক দ্বারা ফোরাত
নদীর দিকে ইঙ্গিত করতেই এক গজ
পানি কম হয়ে গেল, অত:পর
দ্বিতীয়বার ইঙ্গিত করতেই
আরো এক গজ কমে গেল, যখন ৩য় বার
ইঙ্গিত করলেন তিন গজ
পানি কমে গেল এবং বন্যা দুর
হয়ে গেল। লোকেরা আরয করল:
হে আমীরুল মু’মিনীন! থামুন ব্যস
এতটুকুই
যথেষ্ট। (শাওয়াহেদুন নবুয়াত,
পৃষ্ঠা-২১৪)

Wednesday, September 10, 2014

<<< মাজার প্রসঙ্গ >>> কিছু জিঙ্গাসা ও উত্তর ।

অভিযোগঃ মাজারে সেজদা করা হয় ।
সুতরাং মাজার ভেঙ্গে গুড়িয়ে দাও ।
শিরক বন্ধ কর ।
উত্তরঃ মাজারে কিছু লোক
সেজদা করে এটা সত্য ।
যারা করে তারা ধর্মীয় জ্ঞানের দিক
থেকে একেবারেই অজ্ঞ । আমার
প্রশ্নটা হচ্ছে মাজারে সেজদা করাকে আহলে সুন্নাতের
কোন আলেম সওয়াবের কাজ বলেছে কি ?
কোন সম্প্রদায়কে বিবেচনা করতে হয়
তাদের মূলনীতি বা বিশ্বাস
দেখে ,অনুসারীদের দেখে নয় ।
আহলে সুন্নাতের আক্বিদা বা বিশ্বাস
হচ্ছে মাজারে সিজদা করা যাবেনা ।
এখন যারা করে দোষটা তাদের উপর
বর্তায় ।
আরেকটু ক্লিয়ার করি । মসজিদে মানুষ
নামাজ পড়তে যায় ।কেউ কেউ আবার
জুতা চুরিও করতে যায় । এখন আপনার
জুতা চুরি হয়েছে বলে কি আপনি মসজিদকে দোষারোপ
করবেন ? মসজিদ
ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে চাইবেন ?
নিশ্চয়ই না !
আরেকটু ক্লিয়ার করি । মুসলিমদের
মধ্যে কেউ কেউ
বিপদগামী হয়ে চরমপন্থা তথা জঙ্গীবাদকে ইসলাম
প্রচারের মাধ্যম
হিসেবে বেছে নিয়েছে ।যাদের
সংখ্যা একেবারেই নগণ্য । কিছু
জঙ্গীদের
কারণে অমুসলিমরা মুসলিমদের
সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত
করে এবং ইসলামকে একটি সন্ত্রাসী ধর্ম
বলে প্রচার করে । এখন
আপনি কি বিশ্বাস করেন কিছু
মুসলিমদের কারণে সকল মুসলিম
এবং ইসলাম একটি সন্ত্রাসী ধর্ম
যেখানে ইসলাম সন্ত্রাসবাদের
বিরুদ্ধে ? উত্তর অবশ্যই না !
তাহলে আপনি কিভাবে বলেন কিছু অজ্ঞ
লোক মাজারে সেজদা করার
কারণে সকল সুন্নীদের মাজার
পূজারী ,শিরকি যেখানে সুন্নী সম্প্রদায়
মাজারে সেজদা করাকে নিষিদ্ধ
মনে করে ?
শেয়ার করুন ।মন না চাইলে কপি করুন ।
তবুও বাতেলদের কাছে পৌছানো চাই ।
সবাইকে ধন্যবাদ !!!

Monday, September 8, 2014

পাপী ব্যাক্তির মরন কেমন হবে - শেয়ার করুন -

বী করিম (দ) বলেছেন, যারা পাপাচারী ব্যাক্তি তাদের যখন দুনিয়ার জীবন ত্যাগ করে আখিরাতের দিকে যাওয়ার সময় হবে, তখন মৃত্যুর ফেরেশতা (আজরাঈল ) এক ভয়ানক রূপ নিয়ে আগমন করবে,যেই রূপ ইতিপূর্বে কেউ দেখেনি। তার পাশে এসে বসে মৃত্যুর ফেরেশতা বলবেন,“হে পাপী আত্মা! আল্লাহ তা’আলার ক্রোধ এবং আজাবের দিকে ছুটে আস।
যখন মৃত্যুর ফেরেশতা এই ঘোষণা করবে, তখন তার আত্মা দেহের মধ্যে ছুটে বেড়াবে আর সে বের হয়ে আসতে চাইবে না। মৃত্যুর ফেরেশতারা তখন তার আত্মাকে কঠিন ভাবে ধরে টানতে টানতে দেহ থেকে বের করে আনা হবে।
ভেজা পশমের মধ্য থেকে কাটাঁযুক্ত কিছুকে টেনে আনতে যেমন অবস্থা হয় তেমন। রাসূল (দ:) আরো বলেছেন, “যখন এই আত্মাকে টেনে বের করা হবে তখন যেন এটা তার শরীরের মাংস এবং স্নায়ুকে সহ সবকিছুই ছিড়ে ফেলবে, কারণ এই আত্মা শরীর থেকে সহজে বের হতে চাইবে না।
*** ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা কর......আমিন

কিয়ামের স্বপক্ষে ৮ টি দলিল :--

কিয়াম শব্দের অর্থ "দাঁড়ানো। মিলাদ
মাহফিলে রাসুলে পাক (স) এর
সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে সালাম পৌছানোর
প্রক্রিয়াকে আমরা "কিয়াম" বলে থাকি।।
দুনিয়াদার আলেমরা এই মহাফজিলতপূর্ণ
আমলটিকে "বেদাত" বলে ঘোষণা করে থাকে।। এই
লেখাটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন ওরা কত বড়
মিথ্যুক ও রাসুলবিদ্বেষী।
১। "আবু দাউদ "কিতাবে হজরত ইবনে ওমর
(রাঃ )হইতে বর্ণিত আছে,, হুজুর পাক যখন
হুজরা শরীফ থেকে বাহির হতেন, তখন
আমরা সকলেই তাহার সম্মানার্থে দাঁড়াইতাম।।
২। হজরত ইমাম বোখারী তাঁর লিখিত
ইতিহাসে হজরত উম্মে সালমা (রাঃ)
হতে রেওয়ায়েত করেছেন,,"হুজুর পাক যখন
দাঁড়াইতেন, তখন আমরা সকলেই দাঁড়াইতাম।।
৩। হজরত ইমাম মালিক "মওতা"নামক
কিতাবে লিখেছেনঃ "মক্কা বিজয়ের দিন
রাসুলে পাক (সা) নিজেই আকরামা বিন
আবি জেহালের জন্য কিয়াম করেছিলেন,
কেননা তিনি মক্কার একজন বিশিষ্ট নেতৃস্থানীয়
ব্যক্তি ছিলেন।।
৪। তিরমিযী শরীফে হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ)
হতে বর্ণিত আছে যে,, রাসুলে পাক (সা) জায়েদ বিন
হারিসের জন্য কিয়াম করেছিলেন।।
৫। আল্লামা আইনী "উমদাতুল কারী কিতাবুল
জিহাদ" এর মধ্যে লিখেছেনঃ "হজরত আদ্দি হাতিম
বলেছেন,, "আমি যখনই হুজুর পাকের
দরবারে যাইতাম, তখনই তিনি আমার জন্য কিয়াম
করিতেন"।
৬। বুখারী ও মুসলিম শরীফে হজরত আবু সাঈদ
হতে বর্ণিত আছে,, হুজুর পাক (সা)
সাআদকে দেখে বললেন, "কুম ইয়া সাইয়িদাকুম "।
অর্থাৎ, তোমরা নিজেদের কওমের সরদারের জন্য
কিয়াম কর।।
৭। তিরমিজি ও ইবনে হাব্বানের মধ্যে হজরত
আয়শা সিদ্দিকা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে,, হজরত
ফাতিমা (রা) যখনই হুজুর পাকের নিকট আসতেন,
হুজুর পাক তখনই তাঁর সম্মানার্থে কিয়াম
করতেন।।
৮। "ইবনে আকছার" নামক কিতাবে হজরত আনাস
(রা) হতে বর্ণিত আছে,, রাসুলুল্লাহ (স) বলেন,, "
আমার দুই ব্যাটা ইমাম হাসান ও ইমাম হোসাইন
এবং তাঁর আওলাদের জন্য কিয়াম করেন।।

( শহীদ নুরুল ইসলাম ফারুকী রচিত
"সাকীয়ে কাওসার" কিতাব থেকে সংগৃহীত)।

Wednesday, September 3, 2014

ভ্রান্ত আকিদার লোকেরা বলেন যে, নবীর পরে সাহাবীদের স্তান অথচ সাহাবীদের মাজার নেই কিন্তু অনেক আউলিয়ার মাজার তৈরি করা হয়েছে। ভ্রান্ত আকিদার আলেমরা ওয়ায মাহফিলে বলেন, মাজার যাবেন না মাজার ভাল না।

ভ্রান্ত আকিদার লোকেরা বলেন যে, নবীর পরে সাহাবীদের স্তান অথচ সাহাবীদের মাজার নেই কিন্তু অনেক আউলিয়ার মাজার তৈরি করা হয়েছে। ভ্রান্ত আকিদার আলেমরা ওয়ায মাহফিলে বলেন, মাজার যাবেন না মাজার ভাল না।


এখন আমি বলছি, যদি কবরে শাহিত বাক্তি হক্কানি প্রসিদ্দ পীর মাশায়েখ, প্রকৃত আলেম ও সুলতানে আদেল ও সৈয়দজাদা হন, তাহলে তাদের কবরের উপর ইমারত নির্মাণ করা বৈধ এবং জায়েয। এতে মাক্রুহ হবেনা। যেমন- হযরত সৈয়াদুনা আমির হামযা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা, হযরত আয়েশা ছিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা, হযরত ওসমান জিন্নুরাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, ইমাম হাসান, ইমাম হসাইন, ইমাম জয়নুল আবেদিন, ইমাম বাকের রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুম, ও অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের কবর শরীফের উপর গম্বুজ ও ইমারত ছিল মক্কা ও মদিনা শরীফের পুরাতন ইতিহাসে যার রেকর্ড বিদ্দমান আছে। ওহাবি সৌদি সরকার এক ফরমান বলে ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে সেগুলো শহিদ ও নিশ্চিহ্ন করে। সৌদি আরব ব্যতীত প্রায় মুসলিম দেশে ইরাক, ইরান, সিরিয়া, তুরুস্ক, জর্ডান, মিসর ও পাকিস্তানসহ পৃথিবীর সর্বএ  আম্বিয়া ও আউলিয়া কেরামের কবর শরীফের উপর পাকা মাযার ও গম্বুজসমূহ এখনও সংরক্ষিত আছে এবং রাত-দিন সেখানে জিয়ারত ও কুরআন তেলাওয়াত চলছে। জগত বিখ্যাত ফতোয়ার কিতাব রদ্দুল মুখতারে (মিশরে মুদ্রিত) উল্লেখ আছে- জামেউল ফাতাওয়ার বরাতে আহকাম নামক গ্রন্তে উল্লেখ আছে মৃত ব্যক্তি পীর মাশায়েখ, হক্কানি আলেম ওলামা ও সৈয়দজাদা হলে তাদের কবরে উপর ইমারত নির্মাণ করা বৈধ। মাক্রহ নয়।
তফসিরে রুহুল বয়ান ৮৭৯ পৃষ্ঠার উল্লেখ আছে-
পীর মাশায়েখ, ওলামা ও যুগশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গের মাজারে যিয়ারতের উদ্দেশে এবং সেখানে বসে আরাম হাসিলের উদ্দেশে ইমারত নির্মাণ করা সালফে সালেহিন ও পূর্ববর্তী ওলামায়ে কেরাম  বৈধ বলে ফতোয়া দিয়েছেন।

শেখ মুহাক্কিক আব্দুল হক মুহাদ্দেসে দেহলভি রহমাতুল্লাহি আলায়হি নিজ গ্রন্তে জযবুল কুলুব ইলা দিয়ারিল মাহবুব এ উল্লেখ করেছেন-  মাশায়েখ এজামের মাজারের উপর ইমারত নির্মাণ করা সাহাবায়ে কেরাম ও প্রথম যুগের বুজুরগানে দ্বীনের কর্ম ও আমল দ্বারা প্রমাণিত। যেমন- নবী করীম সরওয়ারে কায়েনাত সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম- এর রওজা মোবারকে সর্বপ্রথম হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এবং দ্বিতীয়বার  হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু দেয়াল দ্বারা ইমারত নির্মাণ করেছিলেন। অনেক সাহাবায়ে কেরাম বিভিন্ন বুজুর্গদের মাজারে ইমারত তৈরি করেছিলেন। যেমন- মুন্তাকা সরহে মুয়াত্তা ও বাদায়ে সানায়ে গ্রন্তে উল্লেখ আছে যে---  হযরত ওমর ফারুকে আ'যম রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার খেলাফত কালে উম্মুল মুমেনিন হযরত যয়নব বিনতে জাহাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহার মাযারে উপর গম্বুজ তৈরি করেছিলেন। উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা ছিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা মক্কা শরীফে অবস্থিত তার ভাই সাহাবিয়ে রসূল হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর মাজারে উপর গম্বুজ তৈরি করেছিলেন। তায়েফে অবস্থিত রয়িসুল মুফাসসেরিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর মাজারে উপর হযরত মুহাম্মাদ ইবনে হানাফিয়া রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু মাজারে উপর গম্বুজ তৈরি করেছিলেন। তদুপুরি বর্তমানে মদিনা শরিফে অবস্থিত নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর রওজা মোবারকও সবুজ গম্বুজ বিশিষ্ট। উক্ত গম্বুজ বিশিষ্ট মাজারের মদ্দই শায়িত আছেন ইসলামি জগতের ১ম ও ২য় খলিফা হযরত সৈয়াদুনা আবু বকর সিদ্দিক ও হযরত ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমা অতএব, দিবালোকের নেয় প্রমানিত হল আল্লাহর প্রিয় অলিগণের মাজারে ইমারত নির্মাণ করা শুদু জায়েজ নয় বরং সাহাবায়ে কেরামের সুন্নাতও। এসব তথ্য যারা জানে না, নির্ভরযোগ্য কিতাব পড়ে নাই তারাই প্রকৃত আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার শরীফের ঘর ও গম্বুজ নির্মাণ করাকে বিদ'আত ও নাজায়েয বলে ফতোয়াবাজি করে।
www.facebook.com/babu626