Friday, January 17, 2014

নবীগন কবরে জীবিত

প্রশ্নঃ ভাই আমার মনে প্রশ্ন জাগে যে
১২ রবিউল আউয়াল নবী দুনিয়াতে এসে চিলেন
এবং ঐ দিনই আমাদের থেকে পর্দা করেছেন।
এখন কি ঈদে মিলাদুন্নবে দঃ পালন করা উচিত হবে।
বলেন যুক্তি সহ।

উত্তরঃ আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)
উদযাপন করি কিন্তু ওফাতুন্নবী উদযাপন করি না।

ওফাতুন্নবী উদযাপন না করার অনেক কারণের মধ্যে
একটি হল নবীগণ জীবিত। হযরত আনাস বিন মালিক
রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,

রাসূল (দ.) ইরশাদ করেন, "নবীগণ তাদের কবরের
মধ্যে জীবিত, তারা সেখানে সালাত আদায় করেন।

উক্ত হাদীসটি সহীহ সনদে যারা বর্ণনা করেন।
[১আল্লামা ইমাম আবূ ইয়ালা ঃ আল মুসনাদ ঃ ৬/১৪৭পৃ.,২আল্লামা ইমাম বায়হাকী ঃ হায়াতুল
আম্বিয়া ঃ ৬৯-৭৪পৃ.]

Wednesday, January 15, 2014

খারেজী সম্প্রদায়ের আত্মপ্রকাশ

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, শেষ যুগে এমন এক সম্প্রদায় আসবে, যারা হবে অল্প বয়স্ক, চিন্তা-ভাবনায় নির্বোধ, কথা বলবে সৃষ্টিকুল  শ্রেষ্ঠ মহান ব্যাক্তির ভাষায়, নবী করীম সাল্লাল্লাহু  তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর হাদিস বলবে বেশী পরিমাণে তারা ইসলাম থেকে এমন ভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর বের হয়ে যায়। ঈমান তাদের কণ্ঠনালি অতিক্রম করবেনা। সুতরাং তাদের কতল করে ফেল। কারন, তাদেরকে কতল করলে কিয়ামত দিবসে ঐ কতলের সাওয়াব দেওয়া হবে।

Wednesday, January 8, 2014

নব্য শয়তান জাকির নায়ক:


=========
বছর খানেক আগে একটি বক্তৃতায় জাকির নায়েক ইমাম হুসাইন (রাঃ)-এর খুনী কুখ্যাত ইয়াজিদের নামের সাথে “রাদিআল্লাহু আনহু ও তার ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হউন অর্থাৎ তাকে জান্নাত দান করুন”উচ্চারণ করেছে(নাউজুবিল্লাহ)।সেই মহাপাপী জাহান্নামের কীট কুখ্যাত ইয়াজিদের জন্য যে আল্লাহ‌র কাছে জান্নাত লাভের দোয়া করে,তার মানসিকতা কতো জঘন্য
হতে পারে তা ভাবাই যায় না।আর সেই শয়তান নাকি ছাগুদের আইডল।

Tuesday, January 7, 2014

*** নিরীহ মাছকে প্রাণ দিতে হলো কেন ? ***


সেই সৌদি ওহাবির ভ্রান্ত মতবাদ অনুসারী বাংলাদেশের কওমি হেফাজতি মাদ্রাসা গুলো থেকে জঙ্গি আর ভিক্ষা ছাড়া আর কিছু শিক্ষা দিয়া হয় না । তাদের এই শয়তানি জঙ্গি আক্রমণ থেকে আল্লার ওলি চট্টগ্রাম হযরত বায়েজিদ বোস্তামি (রঃ) ও সিলেট হযরত শাহ্‌ জ্বালাল (রঃ) মাজার সংলগ্ন পুকুরের মাছ পর্যন্ত রক্ষা পেলো না । হযরত দাউদ (আঃ) খুব সুন্দর সুরে আল্লাহপাকের কালাম পড়তেন আর মাছ খুব আন্দদের সহিত শুনতেন কিন্তু তারই মুরতাদ উম্মত ( হেফাজতি) মাছ গুলোকে মেরে পেলে যার কারণে হযরত দাউদের (আঃ) বদদোয়াই তারা বানর হয়ে যায় । কিয়ামতের দিন কওমি হেফাজতিদের চেহারা বানরের মত হবে ইনশাল্লাহ । এই হেফাজতি জামায়াত আল্লাহপাকের গযব থেকে তোমাদের রক্ষা নাই ।

Thursday, January 2, 2014

আশাকরি সবাই একবার পড়বেন -


রাসূলুল্লাহ সাল্লেলাহু আলাহি অওাসাল্লাম বলেছেন , "আল্লাহ তা'আলা বিরাটাকারে এক ফেরেশতা সৃষ্টি করেছেন,যার এক বাহু ভূমণ্ডল পূর্ব প্রান্তে এবং অপর বাহু পশ্চিম প্রান্তে । মস্তক আরশে আযিম এর সন্নিকটে এবং পদদ্বয় সাত তবক জমিন অতিক্রম করেছে । তাকে সমগ্র জগতসম পাখা-পালক দ্বারা সুসজ্জিত করা হইয়াছে । আমার কোন উম্মত যখন আমার উপর দুরুদ শরীফ পাঠ করে,তখন উক্ত ফেরেশতা আল্লাহ পাকের আরশের নীচে অবস্থিত নূরের
সমুদ্রে ডুব দেয় । অতঃপর আল্লাহ্র নির্দেশে সে ফেরেশতা নূরের সমুদ্র থেকে বের হয়ে সর্বশরীর ঝাড়া দেয় । ফলে তার অগণিত পাখা ও পালক থেকে অসংখ্য পানির ফোঁটা ঝরে পরে । তা থেকে আল্লাহ্র কুদরতে এক একজন ফেরেশতা সৃষ্টি হয় । এ অসংখ্য-অগণিত ফেরেশতা কেয়ামত পর্যন্ত দরূদ পাঠকারীর মাগফেরাত জন্য দোয়া করতে থাকে ।
(মুকাশাফাতুল কুলূব গ্রন্থের ৩৪ নং এর ১)
" আল্লাহ্ আমাদের সবাই কে বেশি বেশি দুরুদ শরীফ পাঠ করার তউপিক দান করুক আমীন ।
*** পারলে শেয়ার করবেন ***

Monday, December 16, 2013

** জামায়েতে ইসলামীর আসল চেহারা **


=> সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করা যাবে, কিন্তু তাদের নেতা কর্মীরা দোষ করেলও তাদের সমালোচনা করা যাবেনা !!

=> জামায়াতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মওদূদী সাহেব তার কৃত 'তরজুমানুল কুরআন' এর ৩৫তম সংখ্যার ৩২৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন-
"সাহাবায়ে কেরাম সমালোচনার বাইরে নন । তাদের দোষ ত্রুটি বর্ণনা করা যায় । সাহাবীদের সম্মাণ করার জন্য যদি জরুরী মনে করা হয় যে, কোনোভাবেই তাদের দোষ বর্ণনা করা যাবেনা তবে আমার (মওদূদী) দৃষ্টিতে এটা সম্মাণ নয় বরং মূর্তি পূজাই, যার মূলোত্‍পাটনের লক্ষে জামায়েতে ইসলামীর জন্ম ।"

# এখানে মওদূদী অকপটে বলে দিলেন যে সাহাবীদের দোষ ত্রুটি বর্ণনা করা যাবে । এতে কোনো দোষ হবেনা , কিন্তু বর্তমান সময়ে দেখা যায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা কর্মী দোষ করলেও তাদেরকে দোষী বলা যাবেনা, বরং তাদেরকে ফুলের মতো পবিত্র বলতে হবে । মানুষ হত্যার দায়ে ফাঁসি হলে তাদেরকে 'শহীদ' বলতে হবে ।যদি তাদের দোষ ত্রুটি বর্ণনা করেন তাহলে আপনি নির্ঘাত নাস্তিক, মুরতাদ উপাধী পেয়ে যাবেন । শুধু তাই নয় আপনার জানের মায়াও হয়তো ত্যাগ করতে হবে ।

Saturday, December 14, 2013

=> বর্তমানে হেফাজতী, ওহাবী, জামাতী, ত-ব লীগীরা জাহেলী যুগের মক্কার কাফেরদের চাইতেও নিকৃষ্ট !

=> আইয়্যামে জাহেলী যুগে যখন সাহাবাকেরামগণ রাসূলে পাকের শানে কোনো প্রশংসা করে কারো কাছে কিছু বর্ণনা করতেন, তখন মক্কার কাফেররা দলীল খুঁজত, রেফারেন্স চাইত, ঐ প্রসংশাবাণীর প্রমাণ চাইত, তখন সাহাবগণ প্রমান, রেফারেন্স দিলে তাতে মক্কার কাফেররা বিশ্বাস করতেন এবং রাসূলে পাকের প্রতি ঈমাণ আনতেন ।

** কিন্ত আজ বড়ই পরিতাপের বিষয়, কেউ যদি এখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর শানে কোনো প্রশংসা করে, তাহলে দেখা যায় হেফাজতী, ওহাবী, জামাতী, ত-বলীগীরা তখনকার যুগের মক্কার কাফেরদের মতো দলীল খুঁজতে থাকে, রেফারেন্স চাইতে থাকে । তখনকার মক্কার কাফেররাতো দলীল, রেফারেন্স দেখার পর তা বিশ্বাস করত কিন্তু বর্তমানে মুসলমান নামধারী ঐসব জামাতী, ওহাবী, হেফাজতীদেরকে দলীল কিংবা রেফারেন্স দিলেও তারা তা বিশ্বাস করেনা বরং এই রেফারেন্সগুলোকে জাল হাদিস, দুর্বল হাদিস, মিথ্যা, বানোয়াট ইত্যাদি বলে মানুষের ঈমাণ হরণে ব্যস্ত থাকে ।

# আল্লাহপাক আমাদের প্রত্যেককে সমস্ত বাতিল ফের্কা থেকে হেফাজত করুক । আমিন